আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

প্যারেন্টিংয়ে কী করবেন, কী করবেন না

প্রথমে আমাদের জানতে হবে প্যারেন্টিং অথবা মা–বাবার ভূমিকা বলতে কী বোঝায়। সাধারণত, আমরা সব বয়সের মানুষ মা-বাবাকে প্যারেন্টস হিসেবে চিনি। কিন্তু একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে যাঁদের ভূমিকা থাকে এবং যাঁদের ওপর শিশু নির্ভর করে থাকে, তাঁদের প্যারেন্টস বলা হয়। যেমন পরিবারের মা-বাবা, পালক মা-বাবা, বড় ভাই–বোন, দাদা-দাদি, নানা-নানি ও নিকট আত্মীয়কে একটি শিশুর নিরাপদ ও ভরসাযোগ্য আশ্রয়স্থল মনে করা হয়। তাঁরাও একটি শিশুর জন্য মা-বাবার সমতুল্য হয়ে থাকেন এবং শিশুর শারীরিক ও মানসিক গঠনে তাঁদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকে। একটি শিশুর জন্য তাঁদের প্যারেন্টস বলা যেতে পারে।

বাবা–মা হওয়ার আগে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে
বাবা–মা হওয়ার আগে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে

একজন স্বামী ও স্ত্রী যখন তাঁদের জীবনে শিশুর আগমন নিয়ে চিন্তা করে থাকেন, তখন থেকেই মা-বাবাকে পারেন্টিং রোলের মধ্য দিয়ে নিজেদের তৈরি হতে হয়। তাই শুরু থেকেই স্বামী–স্ত্রীকে আগে নিজেদের সম্পর্কের মধ্যে যদি কোনো সমস্যা থাকে, তা সঠিকভাবে সমাধান করে নেওয়া জরুরি।বিজ্ঞাপন

আগে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হবেন। আমাদের সমাজের একটি বহুল প্রচলিত ভুল ধারণা বিদ্যমান। আমরা মনে করে থাকি, একটি শিশুর জন্মের মধ্য দিয়ে বৈবাহিক সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু দেখা যায়, নিজেদের মধ্যকার সমস্যাগুলোই পরবর্তী সময়ে শিশুর মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে। মনে রাখতে হবে, শিশুর জন্ম নেওয়া মানে নিজেদের সমস্যার সমাধান নয়। শিশুর জন্মানোর মধ্য দিয়ে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব শুরু হয়। সেই দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত কাজগুলো মধ্য দিয়ে নিজেকে পরিচয় করাতে হয়। প্যারেন্টিং রোল খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যেক মা-বাবার ক্ষেত্রে।

আমাদের সমাজের একটি বহুল প্রচলিত ভুল ধারণা বিদ্যমান। আমরা মনে করে থাকি, একটি শিশুর জন্মের মধ্য দিয়ে বৈবাহিক সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু দেখা যায়, নিজেদের মধ্যকার সমস্যাগুলোই পরবর্তী সময়ে শিশুর মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে। মনে রাখতে হবে, শিশুর জন্ম নেওয়া মানে নিজেদের সমস্যার সমাধান নয়।

একটি শিশুকে যথাযথভাবে বড় করার জন্য প্রত্যেকেরই কিছু প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। আমরা সংক্ষেপে ওই বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনে নেব। প্রথমত, আমাদের খেয়াল রাখতে হবে শিশুর যথাযথ শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের গঠন ও নিরাপত্তার ওপর। দ্বিতীয়ত, শিশুকে সক্ষম পূর্ণবয়স্ক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করা এবং সামাজিক মূল্যবোধ শিশুর মধ্যে তৈরি হতে সাহায্য করা। তৃতীয়ত, শিশু এবং তার মা-বাবার মধ্যকার সম্পর্কের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

একটি শিশুর জীবনে চলার পথে মা-বাবার ওপর প্রতিটি পদক্ষেপেই নির্ভরশীল। তাই শিশু ছোট থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত মা-বাবাই তার নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হয়। সে জন্য মা-বাবাকে বেশ কিছু বিষয়ের ওপর খেয়াল রাখতে হয়, যা মা-বাবাকে একটি সুন্দর সুস্থ সন্তান তৈরিতে সাহায্য করবে।

একটি শিশু জন্মের পর থেকে তাকে দেখাশোনার কাজে যাঁরা নিযুক্ত থাকেন, তাঁরা প্রত্যেকেই প্যারেন্টিংয়ের রোল পালন করে থাকেন
একটি শিশু জন্মের পর থেকে তাকে দেখাশোনার কাজে যাঁরা নিযুক্ত থাকেন, তাঁরা প্রত্যেকেই প্যারেন্টিংয়ের রোল পালন করে থাকেন

একটি শিশু জন্মের পর থেকে তাকে দেখাশোনার কাজে যাঁরা নিযুক্ত থাকেন, তাঁরা প্রত্যেকেই প্যারেন্টিংয়ের রোল পালন করে থাকেন। শিশু জন্মের পর থেকে তার প্রতিটি কাজের জন্য তার মা-বাবা কেয়ারগিভারের ওপর নির্ভর করে থাকেন। তাই এর মধ্য দিয়ে সন্তান ও মা-বাবার মধ্যকার সম্পর্ক অনেক বেশি দৃঢ় হয়।

একটি শিশুর দৈনন্দিন প্রয়োজনগুলো (যেমন খাওয়ানো, কাপড় বদলানো, কোলে নেওয়া, আদর করা, কান্না থামানো) যদি তাড়াতাড়ি ও আন্তরিকতার সঙ্গে করা হয়, তা শিশু ও মা-বাবার মধ্যকার সম্পর্ক দৃঢ় হতে সাহায্য করে। এই ভালোবাসার বন্ধন শিশুর সঙ্গে তার মা-বাবার সম্পর্কের জন্য খুব প্রয়োজন। মা-বাবা এবং অন্য অভিভাবকদের সঙ্গে যখন শিশুর সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয়, তখন শিশু পৃথিবীতে নিজের অবস্থান সম্পর্কে ইতিবাচক ভাবতে পারে।বিজ্ঞাপন

বাবা-মাকে তাঁর সন্তান বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে কাজগুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে, সেগুলো হলো:

শিশুর সঙ্গে উদ্দীপনামূলক কাজে অংশগ্রহণ করুন এবং তাদের যথাযথভাবে সময় দিন
শিশুর সঙ্গে উদ্দীপনামূলক কাজে অংশগ্রহণ করুন এবং তাদের যথাযথভাবে সময় দিন
  • শিশুদের স্নেহ–ভালোবাসা প্রদর্শন করা।
  • শিশুদের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ করার মধ্য দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা, যেন সহজেই শিশু তার যেকোনো সমস্যায় আপনার সাহায্যের কথা চিন্তা করতে পারে।
  • শিশুর সঙ্গে উদ্দীপনামূলক কাজে অংশগ্রহণ করা এবং যথাযথভাবে সময় দেওয়া।
  • শিশুদের যেকোনো কাজের প্রশংসা করা ও তাদের বিভিন্ন গঠনমূলক কাজে অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহিত করা।
  • শিশুর পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টিকে মূল্যায়ন করা এবং শিশুর সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। এতে শিশুটি সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শিখবে।
  • সন্তান জন্মের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিন নিজেদের। এতে অনেক সমস্যার সমাধান করা সহজ হবে।
শিশুদের ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন
শিশুদের ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন
  • শিশুদের ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন। একটি শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কিন্তু পরিবার। শিশু বুঝতে শেখার পর থেকে তার আশপাশের প্রিয় মানুষগুলোকে অনুসরণ করে থাকে। তাই কাছের মানুষজন অর্থাৎ বাবা-মা-ভাই-বোন যদি ছোট্ট শিশুটিকে তার নিজস্ব কাজের জন্য ইতিবাচক কথা বলে থাকে, তাহলে শিশুটি ভালো কাজ করার ক্ষেত্রে আরও বেশি আগ্রহ পাবে। মনে রাখতে হবে, শিশুরা প্রশংসা ও মনোযোগ পেতে পছন্দ করে।
  • ভুলক্রমেও শিশুর কোনো নেতিবাচক কাজকে পুরস্কৃত করবেন না। অনেক সময় দেখা যায়, শিশুরা অন্যায় আবদার করে অথবা কান্নাকাটি করে বড়দের কাছ থেকে কোনো কিছু আদায় করে নিতে চায়। এই ব্যবহারের ক্ষেত্রে যদি সে মনোযোগ পেয়ে যায়, তাহলে এই ধরনের অন্যায় আবদার দিনকে দিন শিশুটি করে যাবে। তাই শিশুর এমন কোনো আবদারে মনোযোগ দেওয়া যাবে না, যাতে শিশুর ক্ষতি হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

নিপাহ্‌ ভাইরাসঃ খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়

নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
খেজুরের রস সংগ্রহের প্রক্রিয়া।

শীতকাল এলেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খেজুরের রস খাওয়ার চল বেড়ে যায়। অনেকে গাছ থেকে খেজুরের কলসি নামিয়ে সরাসরি কাঁচা রস খেয়ে থাকেন।

আবার অনেকে এই রস চুলায় ফুটিয়ে সিরাপ, পায়েস বা ক্ষীর বানিয়ে খান। এছাড়া রসের তৈরি ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, নলেন গুড়, ভেলি গুড়, বালুয়া গুড়, মিছরি গুড়সহ নানা ধরণের পিঠার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে।

নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক

খেজুর আরব দেশের প্রচলিত ফল হলেও ওইসব দেশে খেজুর, মূলত ফল উৎপাদননির্ভর, যেখানে কিনা বাংলাদেশের খেজুর গাছ রস উৎপাদননির্ভর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, বাংলাদেশে সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ হয়ে থাকে।

দেশটির সবচেয়ে বেশি রস সংগ্রহ হয় যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে।

মূলত খেজুর গাছের ডালপালা পরিষ্কার করে, ডগার দিকের কাণ্ড চেঁছে তাতে একটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি চোঙ বসিয়ে দেয়া হয়। চোঙের শেষ প্রান্তে ঝুলিয়ে দেয়া হয় একটি মাটির হাড়ি বা কলসি।

সেই চোঙ দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা রস এসে জমা হতে থাকে মাটির হাড়ি বা কলসিতে। এভাবে একটি গাছ থেকে দৈনিক গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লিটার রস সংগ্রহ করা যায় বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গিয়েছে।

কিন্তু গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই খেজুরের রস খাওয়ার ক্ষেত্রে নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি – দা এগ্রো নিউজ

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি
কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি

উপকরণ: বাঁধাকপির কুচি ৪ কাপ, কই মাছের টুকরো ৬টি, তেজপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ২টি, মেথি অল্প পরিমাণ, মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেল কোরানো স্বল্প পরিমাণে, হলুদ পরিমাণমতো ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

প্রণালি: তেলে শুকনো মরিচ ও মেথি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন হয়ে এলে হালকা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলেই বাঁধাকপির কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। তারপর লবণ, মরিচ ও হলুদবাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসাতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভাজা মাছগুলো দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে এবং মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণ নারকেল কোরানো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ – দা এগ্রো নিউজ

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ
ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ

উপকরণ: বড় শোল মাছ ৫০০ গ্রাম, টমেটো টুকরো আধা কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, টমেটোবাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে ও কাঁচা মরিচ ৭-৮টি (চেরা)।

প্রণালি: শোল মাছ লবণ, হলুদ ও সরিষার তেল মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আর ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে রসুন, আদা, মরিচের গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে। টমেটোবাটা দিতে হবে, কিছুক্ষণ কষানোর পর প্রয়োজনমতো গরম পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল মাখা-মাখা হলে টমেটোর টুকরো আর ধনেপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লাউ টাকি – দা এগ্রো নিউজ

লাউ-টাকি
লাউ-টাকি

উপকরণ: ছোট টুকরো করে কাটা টাকি মাছ ২ কাপ, ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ ৪ কাপ, হলুদ সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, আদাবাটা আধা চা-চামচ ও রাঁধুনি বাটা সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর একে একে রসুনবাটা, আদাবাটা ও রাধুনি (গুঁড়া সজ) বাটা ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কষানো হলে লাউ দিতে হবে। লাউ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে হালকা করে ভেজে রাখা টাকি মাছ দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে কাঁচা মরিচের ফালি ও সবশেষে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি – দা এগ্রো নিউজ

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি
বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি

উপকরণ: চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, চিলি সস ২ চা-চামচ, টমেটো সস ২ চা-চামচ, বাঁধাকপির ভেতরের পাতা ৪টি, ভিনেগার ২ চা-চামচ, রসুন ১ চা-চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: বাঁধাকপির শক্ত অংশ ফেলে দিন। পাতার ভেতরের অংশ একটু ভাপিয়ে রাখুন। মাছ ধুয়ে ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে মাছগুলো দিন। একে একে কোঁচানো বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, টমেটো ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর কাঁচা মরিচবাটা, ধনেপাতাবাটা, চিলি সস ও টমেটো সস দিয়ে নেড়ে নিন। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বাঁধাকপির পাতায় অল্প করে চিংড়ি মাছ সুতা দিয়ে বেঁধে স্টিমারে ভাপিয়ে নিন। সুতো কেটে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@agronewstoday.com, theagronewsbd@gmail.com