আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

ঠান্ডা-জ্বরেও থাকুন সুরক্ষিত

সতর্ক থাকুন

সিজনাল ফ্লুর লক্ষণগুলো অনেকাংশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণের মতোই। খেয়াল রাখতে হবে, করোনা সংক্রমণের হার কমে গেলেও তা একেবারে নির্মূল হয়ে যায়নি। প্রতিদিন করোনার কারণে কিছু মৃত্যুসংবাদ এখনো পাওয়া যাচ্ছে। তাই এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক থাকা ভালো।

করোনা সংক্রমণ হয়েছে কি না, তা নির্ণয় করার জন্য করোনার র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটি–পিসিআর পরীক্ষা তো আছেই, তেমনি অন্যান্য কিছু পরীক্ষারও প্রয়োজন হতে পারে। তা ছাড়া ভুলে গেলে চলবে না, মৌসুম এখন ডেঙ্গু জ্বরের। মাথাব্যথা, শরীরব্যথা ও উচ্চমাত্রার জ্বর ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ। তাই সাধারণ ঠান্ডা–জ্বরের উপসর্গ দেখা দিলেও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

আতঙ্ক নয়, সচেতনতা

সিজনাল ফ্লু নিতান্তই সাধারণ সমস্যা। এ নিয়ে বিচলিত বা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাড়িতে চিকিৎসা এবং বিশ্রামেই সাধারণত এমন সমস্যা সেরে যায়। ফ্লুর ব্যবস্থাপনা হওয়া উচিত উপসর্গভিত্তিক। প্রাথমিকভাবে বাড়িতেই খুব সহজ উপায়ে এসব উপসর্গের উপশম সম্ভব।

ফ্লুর লক্ষণ দেখা দিলে পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে প্রচুর পরিমাণে। ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ খাবার (টক ফল) গ্রহণ করতে হবে। পানি ও ভিটামিন সি দুটিই একসঙ্গে গ্রহণ করতে বারবার লেবু-পানি পান করা যায়। কাশি হলে উষ্ণ পানীয় গ্রহণে আরাম মেলে, যেমন লেবু আদা চা, গ্রিন টি বা গরম স্যুপ। উত্তাপে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায় বলে উষ্ণ পানীয় থেকে ভিটামিন সি পাওয়া মুশকিল। এ ছাড়া হালকা উষ্ণ পানি দিয়ে গড়গড়া করা যেতে পারে। জ্বর হলে গোসল করতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। বিশ্রাম নিন।বিজ্ঞাপন

প্রয়োজনে ওষুধ সেবন

কারও কারও ক্ষেত্রে ওষুধ সেবন করার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু নিজ থেকে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা যাবে না। সাধারণত এটি ভাইরাস জ্বর, তাই অ্যান্টিবায়োটিক দরকার নেই। তবে ফ্লু থেকে কারও কারও নিউমোনিয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক লাগবে।

জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথার জন্য প্যারাসিটামল সেবন করা যেতে পারে। সর্দির জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন–জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। তবে সব ধরনের অ্যান্টিহিস্টামিন সবার জন্য উপযোগী না-ও হতে পারে। যেমন কোনো কোনো অ্যাজমা রোগী নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিহিস্টামিন গ্রহণ করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হন। তাই শ্বাসতন্ত্রের কোনো সমস্যা থেকে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এরপর এ ধরনের চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

পৃথক থাকা উচিত

সিজনাল ফ্লু যেহেতু একটি ভাইরাসবাহিত রোগ, তাই এর লক্ষণ দেখা দিলে বাড়ির বাইরে না যাওয়াই উচিত। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে রোগীর একটু আলাদাভাবে অবস্থান করাই ভালো। অর্থাৎ তাঁদের থেকেও যতটা সম্ভব পৃথক থাকতে হবে। তাঁদের সংস্পর্শে যেতে হলে মাস্ক পরিধান করা উচিত। তা ছাড়া একই গ্লাস, থালাবাটি, চামচ প্রভৃতি ব্যবহার না করাই ভালো। করোনার মতো এই ভাইরাসকেও মাস্ক, হাত ধোয়া ও হাঁচি–কাশির আদবকেতা মেনে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তির ক্ষেত্রে সাধারণ ফ্লুর উপসর্গের পাশাপাশি কখনো কখনো শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। তবে যেকোনো বয়সী রোগীর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে কিংবা ২ থেকে ৫ দিনের মধ্যে জ্বর উপশম না হলে বা জ্বর বাড়তেই থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক। কারও কারও হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হতে পারে। এ ছাড়া আগে থেকেই ফুসফুসের কোনো রোগ থাকলে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম থাকলে কিংবা রোগী বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি হলে শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক তাঁকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন। এমন রোগীর শ্বাসকষ্ট হলে, অতিরিক্ত কাশি হলে, সাধারণ লক্ষণগুলোই খুব বেশি ভোগালে, খাওয়াদাওয়া করতে না পারলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা নিতে হবে।

প্রতিরোধে সচেতনতা

হাঁচি–কাশির আদবকেতা বজায় রাখতেই হবে সবাইকে। টিস্যু বা রুমাল দিয়ে ঢেকে নিতে হবে হাঁচি-কাশি। তারপর ব্যবহৃত টিস্যু পেপার ডাস্টবিনে ফেলতে হবে। হাতের কাছে এগুলো না থাকলে কনুই দিয়ে হাঁচি-কাশি ঢেকে নিন। সর্দি হলে তা টিস্যুতে মুড়িয়ে যথাস্থানে ফেলতে হবে এবং এরপর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে।

ফ্লু এবং নিউমোনিয়ার টিকা

শীত আসন্ন। তার আগেই এবার বেড়ে গেছে ঠান্ডা–জ্বরের প্রকোপ। শীতে ফ্লু এবং নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব আরও বেশি দেখা দিতে পারে। এ দুটি রোগ ঠেকাতে টিকা আছে। ফ্লু এবং নিউমোনিয়ার ঝুঁকিতে যাঁরা রয়েছেন, শীত মৌসুমের আগে তাঁদের ফ্লু এবং নিউমোনিয়ার টিকা নিয়ে নেওয়া উচিত এখনই।

কারা নেবেন: বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা যাঁদের কম কিংবা যাঁরা ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগে ভুগছেন (যেমন অ্যাজমা, সিওপিডি প্রভৃতি), তাঁদের ফ্লু এবং নিউমোনিয়ায় ভোগার ঝুঁকি বেশি থাকে। এ ছাড়া যাঁরা আগে করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন এবং ফুসফুসের ওপর করোনাভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাব রয়ে গেছে, তাঁরাও এবার যোগ হয়েছেন এ ঝুঁকিপূর্ণ দলে।

কীভাবে নেবেন

ফ্লুর টিকা নিতে হয় প্রতিবছরই। আর নিউমোনিয়ার টিকা নিতে হয় পাঁচ বছর পরপর। নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে বা হাসপাতালেই দিতে পারবেন। দুটি টিকা একই দিনে নেওয়া যাবে। দরকার হলে তার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

নিপাহ্‌ ভাইরাসঃ খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়

নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
খেজুরের রস সংগ্রহের প্রক্রিয়া।

শীতকাল এলেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খেজুরের রস খাওয়ার চল বেড়ে যায়। অনেকে গাছ থেকে খেজুরের কলসি নামিয়ে সরাসরি কাঁচা রস খেয়ে থাকেন।

আবার অনেকে এই রস চুলায় ফুটিয়ে সিরাপ, পায়েস বা ক্ষীর বানিয়ে খান। এছাড়া রসের তৈরি ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, নলেন গুড়, ভেলি গুড়, বালুয়া গুড়, মিছরি গুড়সহ নানা ধরণের পিঠার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে।

নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক

খেজুর আরব দেশের প্রচলিত ফল হলেও ওইসব দেশে খেজুর, মূলত ফল উৎপাদননির্ভর, যেখানে কিনা বাংলাদেশের খেজুর গাছ রস উৎপাদননির্ভর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, বাংলাদেশে সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ হয়ে থাকে।

দেশটির সবচেয়ে বেশি রস সংগ্রহ হয় যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে।

মূলত খেজুর গাছের ডালপালা পরিষ্কার করে, ডগার দিকের কাণ্ড চেঁছে তাতে একটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি চোঙ বসিয়ে দেয়া হয়। চোঙের শেষ প্রান্তে ঝুলিয়ে দেয়া হয় একটি মাটির হাড়ি বা কলসি।

সেই চোঙ দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা রস এসে জমা হতে থাকে মাটির হাড়ি বা কলসিতে। এভাবে একটি গাছ থেকে দৈনিক গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লিটার রস সংগ্রহ করা যায় বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গিয়েছে।

কিন্তু গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই খেজুরের রস খাওয়ার ক্ষেত্রে নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি – দা এগ্রো নিউজ

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি
কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি

উপকরণ: বাঁধাকপির কুচি ৪ কাপ, কই মাছের টুকরো ৬টি, তেজপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ২টি, মেথি অল্প পরিমাণ, মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেল কোরানো স্বল্প পরিমাণে, হলুদ পরিমাণমতো ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

প্রণালি: তেলে শুকনো মরিচ ও মেথি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন হয়ে এলে হালকা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলেই বাঁধাকপির কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। তারপর লবণ, মরিচ ও হলুদবাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসাতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভাজা মাছগুলো দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে এবং মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণ নারকেল কোরানো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ – দা এগ্রো নিউজ

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ
ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ

উপকরণ: বড় শোল মাছ ৫০০ গ্রাম, টমেটো টুকরো আধা কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, টমেটোবাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে ও কাঁচা মরিচ ৭-৮টি (চেরা)।

প্রণালি: শোল মাছ লবণ, হলুদ ও সরিষার তেল মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আর ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে রসুন, আদা, মরিচের গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে। টমেটোবাটা দিতে হবে, কিছুক্ষণ কষানোর পর প্রয়োজনমতো গরম পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল মাখা-মাখা হলে টমেটোর টুকরো আর ধনেপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লাউ টাকি – দা এগ্রো নিউজ

লাউ-টাকি
লাউ-টাকি

উপকরণ: ছোট টুকরো করে কাটা টাকি মাছ ২ কাপ, ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ ৪ কাপ, হলুদ সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, আদাবাটা আধা চা-চামচ ও রাঁধুনি বাটা সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর একে একে রসুনবাটা, আদাবাটা ও রাধুনি (গুঁড়া সজ) বাটা ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কষানো হলে লাউ দিতে হবে। লাউ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে হালকা করে ভেজে রাখা টাকি মাছ দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে কাঁচা মরিচের ফালি ও সবশেষে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি – দা এগ্রো নিউজ

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি
বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি

উপকরণ: চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, চিলি সস ২ চা-চামচ, টমেটো সস ২ চা-চামচ, বাঁধাকপির ভেতরের পাতা ৪টি, ভিনেগার ২ চা-চামচ, রসুন ১ চা-চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: বাঁধাকপির শক্ত অংশ ফেলে দিন। পাতার ভেতরের অংশ একটু ভাপিয়ে রাখুন। মাছ ধুয়ে ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে মাছগুলো দিন। একে একে কোঁচানো বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, টমেটো ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর কাঁচা মরিচবাটা, ধনেপাতাবাটা, চিলি সস ও টমেটো সস দিয়ে নেড়ে নিন। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বাঁধাকপির পাতায় অল্প করে চিংড়ি মাছ সুতা দিয়ে বেঁধে স্টিমারে ভাপিয়ে নিন। সুতো কেটে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@agronewstoday.com, theagronewsbd@gmail.com