আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

অন্য রকম চা পান

মাল্টা চা

মাল্টা চা
মাল্টা চা

উপকরণ: পানি ২ কাপ, এলাচি ১টি, চা–পাতা ১ চা-চামচ, মাল্টার রস ২ চা-চামচ, মাল্টা দুই টুকরা ও চিনি ২ চা-চামচ।

প্রণালি: একটি পাত্রে পানি, চিনি আর এলাচি দিয়ে ফুটতে দিন। টগবগ করে ফুটে উঠলে চা–পাতা দিয়ে দিতে হবে। ১ মিনিট জ্বাল দিন। এবার মাল্টার রস দিয়ে দিন। চামচ দিয়ে নেড়ে সঙ্গে সঙ্গেই নামিয়ে ফেলতে হবে। চায়ের কাপে ছেঁকে নিয়ে এক টুকরা (স্লাইস) মাল্টা দিয়ে পরিবেশন করুন।বিজ্ঞাপন

মসলা চা

মসলা চা
মসলা চা

উপকরণ: সবুজ এলাচি ৫টি, দারুচিনি ১ টুকরা, চিনি স্বাদমতো, দুধ ১ কাপ, গোলমরিচ ১টি, লবঙ্গ ৪টি, চা–পাতা ২ চা-চামচ, আদাগুঁড়া ১ চা-চামচ ও আদা মিহি করে কাটা কয়েক টুকরা।

প্রণালি: এলাচির খোসা ফেলে ভেতরের মসলা বের করে নিন। সব মসলা একসঙ্গে মিহি করে গুঁড়া করুন। প্যানে ৪ কাপ পানি গরম করে চা–পাতা দিন। চাইলে আধা চা-চামচ গ্রিন টিও দিতে পারেন কালো চায়ের সঙ্গে। গুঁড়া করে রাখা মসলা ও চিনি দিন। দুধ ও আদাগুঁড়া দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। নামানোর আগে আদাকুচি দিয়ে মৃদু জ্বালে রেখে দিন কয়েক মিনিট। পরিবেশন করুন গরম-গরম।বিজ্ঞাপন

মালাই চা

মালাই চা
মালাই চা

উপকরণ: দুধ ৩ কাপ, চা–পাতা ৪ টেবিল চামচ কিংবা ৪টি টি-ব্যাগ, চিনি পরিমাণমতো, ডিমের কুসুম ১টির অর্ধেক ও দুধের সর বা মালাই পছন্দমতো।

প্রণালি: দুধের মধ্যে ডিমের কুসুম ভালো করে মিশিয়ে দিন। তারপর চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিন। দুধ ফুটে উঠলে চা-পাতা দিয়ে জ্বাল হতে দিন। পছন্দমতো রং ধরা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। চা যত কড়া খেতে চান, তত বেশি সময় জ্বাল দেবেন। এরপর চায়ের কাপে চিনি ও দুধের মালাই বা সর দিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। এবার সরু ধারায় চা ঢালুন, ছাঁকনিটা একটু ওপরে ধরে রাখতে হবে। সরু ধারায় চা গিয়ে যখন কাপের মালাইয়ের ওপর পড়বে তখন আস্তে আস্তে কাপ ভরে উঠবে শুভ্র ফেনায়।

গুড়ের চা

গুড়ের চা
গুড়ের চা

উপকরণ: চা–পাতা ৩ চা-চামচ, ঘন দুধ আধা কাপ ও নলেন গুড় ২ চা-চামচ।

প্রণালি: ফুটানো পানির মধ্যে চা–পাতা দিয়ে ২ থেকে ৩ মিনিট ফুটান। দুধ গুলিয়ে নিন। কাপে ঢেলে দুধ, গুড় মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

তুলসী ও মধু চা

তুলসী ও মধু চা
তুলসী ও মধু চা

উপকরণ: চা–পাতা এক চা-চামচ ও টি-ব্যাগ একটি, তুলসীপাতা ১০ থেকে ১২টি, লেবুর রস পরিমাণমতো, মধু পরিমিত ও পানি আধা লিটার।

প্রণালি: ফুটন্ত পানিতে তুলসীপাতা দিয়ে পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর চা–পাতা দিয়ে আরও কয়েক মিনিট ফুটাতে হবে। এরপর ছেঁকে নিজের মতো করে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করুন।বিজ্ঞাপন

কালিজিরা ও গোলমরিচের চা

কালিজিরা ও গোলমরিচের চা
কালিজিরা ও গোলমরিচের চা

উপকরণ: চা–পাতা ২ চা-চামচ, কালিজিরা আধা চা-চামচ, আস্ত গোলমরিচ আধা চা-চামচ, আদাকুচি এক চামচের কিছু অংশ, চিনি কিংবা মধু নিজের স্বাদ অনুযায়ী ও পানি আধা লিটার।

প্রণালি: পানি ফুটিয়ে চা, কালিজিরা, আস্ত গোলমরিচ আর আদাকুচি দিন। এরপর ছেঁকে চিনি কিংবা মধু মিশিয়ে গরম-গরম চা পান করুন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

নিপাহ্‌ ভাইরাসঃ খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়

নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
খেজুরের রস সংগ্রহের প্রক্রিয়া।

শীতকাল এলেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খেজুরের রস খাওয়ার চল বেড়ে যায়। অনেকে গাছ থেকে খেজুরের কলসি নামিয়ে সরাসরি কাঁচা রস খেয়ে থাকেন।

আবার অনেকে এই রস চুলায় ফুটিয়ে সিরাপ, পায়েস বা ক্ষীর বানিয়ে খান। এছাড়া রসের তৈরি ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, নলেন গুড়, ভেলি গুড়, বালুয়া গুড়, মিছরি গুড়সহ নানা ধরণের পিঠার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে।

নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক

খেজুর আরব দেশের প্রচলিত ফল হলেও ওইসব দেশে খেজুর, মূলত ফল উৎপাদননির্ভর, যেখানে কিনা বাংলাদেশের খেজুর গাছ রস উৎপাদননির্ভর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, বাংলাদেশে সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ হয়ে থাকে।

দেশটির সবচেয়ে বেশি রস সংগ্রহ হয় যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে।

মূলত খেজুর গাছের ডালপালা পরিষ্কার করে, ডগার দিকের কাণ্ড চেঁছে তাতে একটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি চোঙ বসিয়ে দেয়া হয়। চোঙের শেষ প্রান্তে ঝুলিয়ে দেয়া হয় একটি মাটির হাড়ি বা কলসি।

সেই চোঙ দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা রস এসে জমা হতে থাকে মাটির হাড়ি বা কলসিতে। এভাবে একটি গাছ থেকে দৈনিক গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লিটার রস সংগ্রহ করা যায় বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গিয়েছে।

কিন্তু গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই খেজুরের রস খাওয়ার ক্ষেত্রে নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি – দা এগ্রো নিউজ

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি
কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি

উপকরণ: বাঁধাকপির কুচি ৪ কাপ, কই মাছের টুকরো ৬টি, তেজপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ২টি, মেথি অল্প পরিমাণ, মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেল কোরানো স্বল্প পরিমাণে, হলুদ পরিমাণমতো ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

প্রণালি: তেলে শুকনো মরিচ ও মেথি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন হয়ে এলে হালকা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলেই বাঁধাকপির কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। তারপর লবণ, মরিচ ও হলুদবাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসাতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভাজা মাছগুলো দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে এবং মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণ নারকেল কোরানো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ – দা এগ্রো নিউজ

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ
ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ

উপকরণ: বড় শোল মাছ ৫০০ গ্রাম, টমেটো টুকরো আধা কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, টমেটোবাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে ও কাঁচা মরিচ ৭-৮টি (চেরা)।

প্রণালি: শোল মাছ লবণ, হলুদ ও সরিষার তেল মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আর ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে রসুন, আদা, মরিচের গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে। টমেটোবাটা দিতে হবে, কিছুক্ষণ কষানোর পর প্রয়োজনমতো গরম পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল মাখা-মাখা হলে টমেটোর টুকরো আর ধনেপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লাউ টাকি – দা এগ্রো নিউজ

লাউ-টাকি
লাউ-টাকি

উপকরণ: ছোট টুকরো করে কাটা টাকি মাছ ২ কাপ, ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ ৪ কাপ, হলুদ সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, আদাবাটা আধা চা-চামচ ও রাঁধুনি বাটা সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর একে একে রসুনবাটা, আদাবাটা ও রাধুনি (গুঁড়া সজ) বাটা ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কষানো হলে লাউ দিতে হবে। লাউ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে হালকা করে ভেজে রাখা টাকি মাছ দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে কাঁচা মরিচের ফালি ও সবশেষে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি – দা এগ্রো নিউজ

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি
বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি

উপকরণ: চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, চিলি সস ২ চা-চামচ, টমেটো সস ২ চা-চামচ, বাঁধাকপির ভেতরের পাতা ৪টি, ভিনেগার ২ চা-চামচ, রসুন ১ চা-চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: বাঁধাকপির শক্ত অংশ ফেলে দিন। পাতার ভেতরের অংশ একটু ভাপিয়ে রাখুন। মাছ ধুয়ে ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে মাছগুলো দিন। একে একে কোঁচানো বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, টমেটো ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর কাঁচা মরিচবাটা, ধনেপাতাবাটা, চিলি সস ও টমেটো সস দিয়ে নেড়ে নিন। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বাঁধাকপির পাতায় অল্প করে চিংড়ি মাছ সুতা দিয়ে বেঁধে স্টিমারে ভাপিয়ে নিন। সুতো কেটে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@agronewstoday.com, theagronewsbd@gmail.com